ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা হবে

আপডেট: অক্টোবর ১৬,২০১৬ | 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নতুন প্রক্রিয়ায় লিখিত, মৌখিক পরীক্ষাসহ মোট তিনটি ধাপের মাধ্যমে এই দুই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্প্রতি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অনুরোধ জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নিয়োগের আগে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও গোয়েন্দাদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করারও অনুরোধ জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত শুক্রবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩২তম সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত হয়।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আবদুল লতিফ বলেন, প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক ও কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও নম্বর বণ্টনের বিষয়টি চূড়ান্ত করবে।

কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে কর্মকর্তা নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড একই কাজ করবে। তিনি বলেন, এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চাইলে পুলিশ ভেরিফিকেশন লিখিত পরীক্ষার আগেও হতে পারে।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য রাশিদ আসকারী বলেন, ‘লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে নির্দেশনা রয়েছে। বিষয়টিকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর ফলে নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে এবং যোগ্য ও মেধাবীরা নিয়োগ পাবেন।’

বর্তমানে দেশে ৩৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব আইন অনুযায়ী নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিন্তু নিয়োগের সময় কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

সুত্রঃ দৈনিক শিক্ষা

সাম্প্রতিক তথ্যসমূহ