অন্যান্য শ্রেণি ও বিষয়

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতি: সাধারণ জ্ঞান

বিশ্বের প্রধান ধর্মসমূহ

ধর্ম হল (ইংরেজি: Religion)  লিপিবদ্ধ  শৃঙ্খলিত প্রত্যাদেশ কে বিশ্বাস ও ধর্মানুষ্ঠান  (প্রথা )  এঁর  উপর    আনুগত্য , যা  সাধারনত " আধ্যাত্মিক " ব্যাপারে " দৃঢ় বিশ্বাস " এঁর সাথে সম্পর্ক যুক্ত ; এবং বিশেষ  পূর্বপুরুষ হতে  প্রাপ্ত  ঐতিহ্য , জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা , রীতি ও প্রথা কে  মানা এবং গবেষণা করা যাতে মানবজীবন কে বোঝা যায়  এবং সেভাবে চালানো যায় ।

বিস্তারিত

ইসলাম ধর্ম

প্রাক ইসলামিক আরবে একেশ্বরবাদীদের হানিফ বলা হত। ইসলাম ধর্ম অনুসারে, হযরত আদম (আ) হলেন প্রথম মানব ও আল্লাহর নবী এবং হযরত মুহম্মদ (স) হলেন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল। মুসলমানদের আদি পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.)। তার মাজার হেবরনে অবস্থিত।

মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে ১২ রবিউল আউয়াল রোজ সোমবার মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবদুল্লাহ এবং মাতার নাম আমিনা। বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন সত্যবাদী এবং উত্তম চরিত্রের অধিকারী। সেজন্য তাকে আল-আমীণ বলা হতো। পচিঁশ বছর বয়সে তিনি বিবি খাদিজা (রা) কে বিবাহ করেন। তিনি মক্কার নিকটবর্তী হেরা গুহায়  ধ্যান করতেন। চল্লিশ বছর বয়সে ৬১০ সালে ২৭ রমজান রাতে তিনি নবুয়ত লাভ করেন। ওহী হিসেবে প্রথম নাযিল হয়েছিল সূরা আলাক এর পাঁচটি আয়াত। তার কাছে প্রেরিত আল্লাহর প্রত্যাদেশগুলোর সংকলিত রুপ হলো মহাগ্রন্থ আল কুরআন। এটি মুসলমানদের পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ। মক্কার কাফের ও কুরাইশদের অত্যাচারে তিনি ৬২২ সালে মদিনায় হিজরত করেন এবং সেখানে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। পৌত্তলিকদের সাথে তার বদর (১৫ মার্চ, ৬২৪), ওহুদ (২১ মার্চ, ৬২৫), খন্দক (এপ্রিল, ৬২৭) প্রভৃতি যুদ্ধ হয়। তিনি কুরাইশদের সাথে হুদায়বিয়ার সন্ধি করেন ৬২৮ সালের মার্চে এবং মক্কা বিজয় করেন ৬৩০ সালে। ৬৩২ সালের ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে তিনি ইন্তেকাল করেন।

পবিত্র স্থান

মুসলমানদের পবিত্র স্থান হল মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেম। জেরুজালেম নগরী মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদিদের পবিত্র স্থান। এটিকে তিন ধর্মের মিলনকেন্দ্র বলা হয়।

রিদ্দা একটি স্থানের নাম। মক্কার কাবা শরীফ, মদিনার মসজিদে নবাবী এবং জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদ বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের পবিত্র উপাসনালয়। এছাড়া কারবালা, কুফা, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থান মুসমানদের নিকট মর্যাদাপূর্ণ। এচাড়া হেবরনে বেশ কয়েকজন নবীর মাজার রয়েছে-হযরত ইব্রাহীম (আ), হযরত ইসহাক (আ), হযরত ইয়াকুব (আ) এর মাজার।


হিন্দু ধর্ম

বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্ম হলো হিন্দু ধর্ম। হিন্দু ফারসি শব্দ। এর ধর্মমতের কোন প্রবর্তক নেই, নেই কোন শুরুর দিন তারিখ। এজন্য একে সনাতন ধর্ম বলা হয়।

হিন্দুদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম বেদ। এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত। পবিত্র বেদের বিস্ময়কর প্রকাশের মাধ্যমে হিন্দু ধর্মানুসারীগণ ধর্মকে পেয়েছে। বেদের চারটি খন্ড রয়েছে- ঋকবেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ ও অথর্ববেদ। প্রত্যেক বেদের দুটি অংশ রয়েছে-সংহিতা ও ব্রাক্ষ্মণ। সংহিতা ভাগে রয়েছে মন্ত্র এবং ব্রাক্ষ্মণ ভাগে রয়েছে মন্ত্রের অর্থ ব্যবহার নির্দেশ।  হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে সাহিত্যিক বর্ণনা পাওয়া যায় ঋকবেদের শ্লোকসমূহে। হিন্দুধর্মের অন্যান্য গ্রন্থগুলো হল উপনিষদ, স্মৃতিশাষ্ত্র, পুরাণ, শ্রীমদ্ভগবদগীতা, রামায়ণ, মহাভারত। কাশী, গয়া, বৃন্দাবন, সীতাকুন্ড তাদের পুণ্যস্থান।

বর্ণপ্রথা অনুসারে হিন্দু ধর্মে চারটি প্রধান বর্ণ রয়েছে-

ব্রাক্ষ্মণ-ধর্মগুরু ও পৌরহিত্য সাধন

ক্ষত্রিয়-দেশরক্ষা

বৈশ্য-ব্যবসা বাণিজ্য

শুদ্র- কায়িক শ্রম তথা সেবা প্রদান

হিন্দুধর্মে প্রধান তিন দেবতা হচ্ছে-

ব্রক্ষ্মা: ব্রক্ষ্মা প্রধান দেবতা। ব্রক্ষ্মা সৃজনকর্তা।পত্নী স্বরস্বতী। স্বরস্বতী বিদ্যা বা জ্ঞানের প্রতীক।

বিষ্ণু: সৃষ্টির রক্ষাকারী ও পালনকর্তা। পত্নী হলেন লক্ষ্মী। লক্ষ্মী সম্পদ ও সৌভাগ্যের প্রতীক। বিষ্ণুর অষ্টম অবতার হলো শ্রীকৃষ্ণ। শ্রীকৃষ্ণ মথুরায় জন্মগ্রহণ করেন, তার মামার নাম কংস।

শিব: সৃষ্টির সংহার বা বিনাশকারী। মহাদেব নামে পরিচিত। পত্নী হলেন কালী বা দুর্গা। দুর্গা শক্তির প্রতীক। কার্তিক, গনেশ, লক্ষ্মী ও স্বরস্বতী শিব-দুর্গার পুত্র-কন্যা।

 

 


শিখ ধর্ম

শিখ শব্দটির উৎপত্তি পাঞ্জাব ভাষার শিখনা শব্দ থেকে। গুরু নানকের অনুসারীদের শিখ বলা হয়ে থাকে। গুরু নানক জন্মগ্রহণ করেন ১৪৬৯ সালের ১৫ এপ্রিল বর্তমান পাকিস্তানের লাহোর নগরীর অনতিদূরে তালওয়ান্দি গ্রামে হিন্দু পিতামাতার গৃহে। গুরু গোবিন্দ সিং হলেন শিখ ধর্মের দশম গুরু। তিনি পুরুষদের জন্য সিং এবং মহিলাদের জন্য কাউর পদবী ব্যবহারের নির্দেশ দেন।

গুরুগ্রন্থ ‘সাহিব’ হলো শিখ ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। এ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে গুরু নানক ও পরবর্তী গুরুগণের প্রণীত স্ত্রোতগীতসমূহ।

শিখ উপাসনাগার বিখ্যাত স্বর্ণমন্দির অমৃতসর শহরে অবস্থিত। এটি গোল্ডেন টেম্পল নামে পরিচিত। গুরু অর্জুন দাসের সময় এর নির্মাণ শুরু হয়। এর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন প্রখ্যাত মুসলিম সাধক পীর মির মোহাম্মদ খা (২৮ ডিসেম্বর, ১৫৮৮)। ১৫৭১ সালে গুরু অমর দাসের সাথে সম্রাট আকবর সাক্ষাৎ করে শিখ ধর্ম প্রসারে ভুমিকা রাখেন।

 

 

 


ইহুদি ধর্ম

একেশ্বরবাদী ধর্ম সমূহের মধ্যে ইহুদি ধর্ম প্রথম ও প্রাচীনতম। প্রাচীন হিব্রু জাতির এবং এর উত্তরপুরুষদের অনুসৃত এক ঈশ্বরকেন্দ্রিক বিশ্বাসকে ইহুদি ধর্ম বলা হয়ে থাকে। পাঁচ খন্ডের ইহুদি ধর্মগ্রন্থ ‘তাওরাত’ অনুযায়ী ইহুদি জাতির আদি পিতা ইব্রাহীম (আ) (হযরত ইব্রাহীম (আ) এর মাজার হেবরনে)। তার পুত্র ইসাহাক এবং ইসহাকের পুত্র ইয়াকুবের নাম স্বর্গীয় দুত কর্তৃক ইস্রাইল করা হয়। সেই থেকে ইয়াকুবের স্বজাতি ইস্রাইলী বংশধর হিসেবে পরিচিত। ইয়াকুবের পূত্র ইউসুফের সময় থেকে ইস্রাইরিগণ মিশরে বসবাস করতে থাকে।

ইহুদি ধর্মের প্রবর্তক হলেন হযরত মুসা (আ)। তিনি সিনাই পর্বত শিখরে ঈশ্বর থেকে প্রত্যাদের ‘দশ আজ্ঞা’ লাভ করেন। বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট অংশই ইহুদিদের ধর্ম গ্রন্থ। আর নিউ টেস্টামেন্ট অংশ খ্রিষ্টানদের পবিত্র বাইবেল ইহুদিরা শনিবার পূর্ণ বিশ্রামের থেকে প্রভুর উপাসনা ও আরাধনা করে। একে সাব্বাৎ বলে। সিনাগগ হল ইহুদেদের ধর্মীয় উপাসনাগার।

ইহুদিদের পবিত্র উপাসনাগার বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত। ইহুদিরা এর নাম দিয়েছে টেম্পল মাউন্ট। নবী সলোমান এটি প্রথম নির্মাণ করেন। এটি প্রথম ধ্বংস করেন রাজা নেবুচাদনেজার। আবার নির্মাণের পর রোমান সম্রাট টাইটাস ৭০ খ্রিস্টাব্দে এটি দ্বিতীয়বার ধ্বংস করেন।  নবী সলোমানের নির্মিত মন্দিরের একটি দেয়াল মন্দিরটির অতীত ঐশ্বর্য্যের প্রতীকরুপে এখনো দাড়িয়ে আছে। এই দেয়ালটিকে বিলাপের দেয়াল নামে আখ্যায়িত করা হয়।

জেরুজালেম মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি কর্তৃক সমাদৃত এবং তিন ধর্মের মিলনকেন্দ্র।

 

 

 

 

 


বৌদ্ধ ধর্ম

বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক মহামানব গৌতম বুদ্ধ নেপালের কপিলাবস্তুতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রাজা শুদ্ধোধন এবং মাতা রানী মহামায়া। কথিত যে, রাজধানী কপিলাবন্তু থেকে ১২ ক্রোশ দূরে পিত্রালয়ে সন্তান প্রসবের গমনপথে ‘লুম্বিনি’ অরোন্যাদ্যানে বুদ্ধকে প্রসব করেন। শাক্য বংশে জন্মগ্রহণকারী গৌতমের বাল্যনাম ছল সিদ্ধার্থ। ২৯ বছর বয়সে তিনি গৃহত্যাগ করেন। তিনি বুদ্ধগয়া নামক স্থানে নিরঞ্জনা নদীর তীরে এক অশ্বথতলায় ধ্যান-নিমগ্নতার মধ্যে ‘সম্বোধি’ জ্ঞান লাভ করেন। অশ্বথগাছটি  নামকরণ করা হয় বোধিবৃক্ষ। ৪৮৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বুদ্ধ গঙ্গার উত্তরপাড়ের বারানসীর কুশীনগরের এক শালবনে উত্তরীয় শয়ানে এক বৈশাখী পূর্ণিমা তিথীতে ৮০ বছর বয়সে প্রাণত্যাগ করেন।

বৌদ্ধ ধর্মের মূল কথা অহিংসা পরম ধর্ম। বুদ্ধ সাধনার মাধ্যমে চারটি সত্রের সন্ধান পেয়েছেন-দু:খ, দু:খের কারণ, দু:খ নিরোধ এবং দু:খ নিরোধের উপায়। তিনি মানুষকে পঞ্চশীল পালনের উপদেশ দিয়েছেন- জীব হত্যা না করা, চুরি না করা, মিথ্যা থেকে বিরত থাকা, মিথ্যা কামাচারে বশীভূত না হওয়া এবং মদ্যাসক্ত না হওয়া।

অন্য ধর্মে যেখঅনে ধর্মীয় বিধান পালনের মাধ্যমে স্বর্গলাভ মূল লক্ষ্য, সেখানে বৌদ্ধ ধর্ম দর্শনের মূল লক্ষ্য হলো নির্বাণ লাভ করা। রুপ, রস, স্বাদ, গন্ধ, স্পর্শ সকল প্রকার দু:খ থেকে চিরমুক্তি লাভ করে বিমুক্ত সুখের অধিকারী হওয়াকে নির্বাণ বলা হয়। নির্বাণ হলো বর্তমান জনমে পরম সুখ লাভ। বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক। এটি পালিভাষায় রচিত। প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের মন্দির। বুদ্ধগয়া, সারনাথ তাদের পূণ্যস্থান।

পাকিস্তানের তক্ষশীলা পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান।

 


জৈন ধর্ম

জীবহত্যার বিরোধীতায় হিন্দুর মধ্য থেকে জৈন ধর্মের উৎপত্তি। জৈন শব্দ দ্বারা হিংসা, ক্রোধ, লোভ, লালসা ও জাগতিক আকর্ষণ থেকে মুক্তি পেয়ে কঠোর কৃচ্ছতাধারী হওয়ার পথানুসন্ধানকেই বুঝায়। এটি মুখ্যত ভারতের বিহারে উৎপত্তি লাভ করে।

জৈনধর্মের তীর্থঙ্কর হলেন ধর্মগুরু। চব্বিশজন তীর্থঙ্করের প্রথমজন হলেন রসভাদেব বা রিশাভা। ত্রয়োবিংশ তীর্থঙ্কর পার্শ্ব নাথ (পরেশনাথ) এবং চতুর্বিংশ তীর্থঙ্কর মহাবীর (ভদ্রামনা)। রাসভাদেরব দৃশ্যত জৈনধর্মের প্রবর্তক হলেও মহাবীর জৈনধর্মের প্রকৃত প্রবর্তন সিন্ধপুরুষ। মহাবীর ভারতের বিহারের পাটনা নগরীর নিকটবর্তি কুন্ডগ্রামে খ্রিস্টপূর্ব ৫৯৯ এর ১৩ চৈত্র শুক্লপক্ষের রাত্রে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা রাজা সিদ্ধার্থ ছিলেন ক্ষত্রিয় বংশজাত জনতাপুত্রা গোত্রের শাসক। তার মাতার নাম ত্রিশলা। জৈন ধর্ম দুটি ধারায় বিভক্ত। স্বেতাম্বর ও দিগম্বর। জৈনদের সুনির্দিষ্ট ধর্মগ্রন্থ নেই। ৪৫টি প্রামাণিক ধর্মবিধি রচনাকে তারা অনুসরণ করে। এগুলো অ্যাঙ্গাস, প্রাকিরানাকাস চিদাসূত্র নামে পরিচিত।

 

 

 


খ্রিস্টান ধর্ম

ইতিহাসখ্যাত বেথেলহাম প্যালেস্টাইনে অবস্থিত। এখানে খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট এক গোশালায় জন্মগ্রহণ করেন। যীশুর মাতার নাম মেরি।

মেরি ও যোসেফের গ্রামের বাড়ি নাজেরথে।

প্যালেস্টাইন ছিল ইহুদি অধ্যুষিত এবং যিশুর ধর্মমত প্রচারের কারণে ক্ষুদ্ধ ইহুদিরা তার বিরুদ্দে ধর্মদ্রোহিতা ও রাজদ্রোহিতার অভিযোগ আনে।  রোমান সম্রাট অগাস্টাস সিজারের গভর্নর পন্টাস পালেটের অন্যায় বিচার আদেশে যিশুকে ক্রুশে পেরেক গেথে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়।

খ্রিষ্টানদের ধর্মগ্রন্থ হলো নিউ টেস্টমেন্ট বা বাইবেল। এটি প্রথম হিব্রু ভাষায় লেখা হয়। নিউ টেস্টামেন্টে ২৭ টি পুস্তকের মধ্যে চারটি পুস্তক গোস্পেল বা সুসমাচার নামে পরিচিত। এগুলো লিখেছিলেন মথি, মার্কম লুক ও যোহন-লিখার সময়কাল ৬০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১১০ খ্রিস্টাব্দ।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীগণ দুটি ধারায় বিভক্ত-ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট ও অর্থোডক্স। ক্যাথলিকগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ। ক্যাথলিকদের ধর্মরাষ্ট্র হল ভ্যাটিক্যান। খ্রিস্টান ক্যাথলিক চার্চের বর্তমান প্রধান হলেন পোপ দ্বিতীয় ফ্রান্সিস। তার জন্ম আর্জেন্টিনায়। সুইস গার্ড পোপের নিরাপত্তা বিধান করে। জার্মান ধর্মতত্ত্ববিদ মার্টিন লুথার (১৪৮৩-১৫৪৬) ছিলেন খ্রিস্টধর্মের সংস্কারক। তিনি তার মতবাদ জনপ্রিয় করার জন্য জার্মান ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেন। তিনি রোমান ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে নিজস্ব ভাবধারায় খ্রিস্টধর্ম প্রচার করেন। তারা এ আন্দোলনকে রিফর্মেশন বলা হয়। তার অনুসারীগণ প্রটেস্ট্যান্ট নামে পরিচিত। ক্যাথলিক ধারার এক বিশ্বাসযোগ্য বিকল্পরূপে প্রটেস্ট্যান্টইজমে পূর্ণতা দিয়েছেন জিন ক্যালভিন।

১৫২০ সালে মার্টিন লুথার ‘ব্যাবিলিয়ান ক্যাপটিভিটি’ নামক পুস্তক রচনা করে প্রটেস্ট্যান্ট খ্রিস্টানদের দৃঢ়ভিত্তি প্রদান করেন।

খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্ম উৎসবগুলো হলো: ক্রিস্টমাস, ইপিপানি, ইস্টার সানডে, গুড ফ্রাইডে। এছাড়া রয়েছে হলি উইক-যার অন্তর্ভুক্ত পাম সানডে, পেশন প্লেয়স, ইস্টার ডে, লেন্ট, এসসেসন ডে। জেরুজালেম খ্রিস্টানদের পবিত্র নগরী এবং জর্ডান নদী পবিত্র নদী।

 

 

 

 

 

 

 


কনফুশীয় ধর্ম

নাই


বিস্তারিত প্র্যাকটিস করুন

সকল ডিজিটাল বই

পঞ্চম শ্রেণি
নবম-দশম শ্রেণি
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
বাংলা রচনা / ভাবসম্প্রসারণ ...
Essay / Compositions / Paragraph
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রস্তুতি
বি সি এস